বিএনপির ওপর আস্থা হারিয়েছে জনগণ: কাদের

live-tv
বিএনপির ওপর আস্থা হারিয়েছে জনগণ: কাদের

সংগৃহীত ছবি

বিএনপির ওপর আস্থা হারিয়েছে জনগণ: কাদের

অনলাইন ডেস্ক
  •  ৩০ এপ্রিল, ২০২৩ ১৩:৪৯

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির দ্বিমুখী আচরণের কারণে জনগণ তাদের ওপর আস্থা হারিয়েছে। রোববার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে আওয়ামী লীগের উপদপ্তর অ্যাডভোকেট সায়েম খানের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একদিকে বলছেন যে, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। অন্যদিকে আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিএনপি নেতাকর্মীরা আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন।

https://28c8fb171e1085a94c618549f78e9201.safeframe.googlesyndication.com/safeframe/1-0-40/html/container.htmlএই দ্বিমুখী আচরণের কারণে জনগণ দ্বারা বার বার প্রত্যাখ্যাত হয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। তাই তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণে ভয় পায়। একই সঙ্গে তারা নির্বাচন ও নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারায় লিপ্ত থাকে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি আজ নির্বাচন নিয়ে কথা বলে কোন মুখে? বিএনপির হাত ধরেই এদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে।

https://28c8fb171e1085a94c618549f78e9201.safeframe.googlesyndication.com/safeframe/1-0-40/html/container.htmlসামরিক শাসন জারি রেখে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে হ্যাঁ/না ভোট, সেনা প্রধানের দায়িত্বে থেকে ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান করেছিল। তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে খালেদা জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্য ১৯৯৬ সালে ১৫ই ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচন করেছিল। তাদের সময়ে অনুষ্ঠিত মিরপুর ও মাগুরা উপ-নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক ঘটনা হিসেবে স্থান পেয়েছে।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগ নাকি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকারসহ ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সুদীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম করেছে। এই দলের হাত ধরেই এদেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।  

আওয়ামী লীগ বিএনপির চর্চিত গণতন্ত্রে বিশ্বাস বা আস্থা রাখে না। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এদেশের মানুষকে কারফিউ মার্কা গণতন্ত্র উপহার দিয়েছিল। গণতন্ত্রের লেবাসে সামরিক স্বৈরতন্ত্রের ভূত এদেশের জনগণের ওপর চাপিয়ে দিয়েছিল। বিএনপি এদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করেছে; মানুষের ভোটাধিকারকে বারবার বাধাগ্রস্ত করেছে।  

তিনি বলেন, সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পথকে মসৃণ করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। সফলরাষ্ট্রনায়কোচিত ভূমিকার কারণে বর্তমানে শেখ হাসিনাকে সমীহের দৃষ্টিতে দেখে বিশ্বের সব নেতৃবৃন্দ।

news24bd/ARH

null

এই রকম আরও টপিক

 সম্পর্কিত খবর

নির্বাচনে বাঁধা দিতে এলে প্রতিহত করা হবে: ওবায়দুল কাদের
জিয়া নিজে দরখাস্ত দিয়ে বাকশালের সদস্য হয়েছিলেন: তথ্যমন্ত্রী
বিদ্রোহীদের বিষয়ে দলের অবস্থান আগের মতো থাকবে: কাদের
দশ বছর ধরে শুনছি ঈদের পর বিএনপির আন্দোলন: শাজাহান খান
কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছেন ছাত্রলীগের নারী কর্মীরা
প্রধানমন্ত্রী দেশের যেকোনো দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকেন: শহীদ উল্লা খন্দকার
কৃষকদের ধান কেটে দিতে ছাত্র ও যুব সমাজের প্রতি  ছাত্রলীগের আহ্বান
ভরা পূর্ণিমাতেও অমানিশার অন্ধকার দেখে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

 এই বিভাগের পাঠকপ্রিয়

 সর্বশেষ

 পাঠকপ্রিয়

ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড, প্লট-৩৭১/এ, ব্লক-ডি,
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, বারিধারা, ঢাকা-১২২৯
+৮৮০২৫৫০৩৬৬৫২-৫৫ +৮৮০২৫৫০৩৬৬৫১ info@news24bd.tv, newstwentyfouronline@gmail.com

স্বত্ব © ২০২৩ News24bd.tv

বিএনপির ওপর আস্থা হারিয়েছে জনগণ: ওবাইদুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির দ্বিমুখী আচরণের কারণে জনগণ তাদের ওপর আস্থা হারিয়েছে। রোববার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে আওয়ামী লীগের উপদপ্তর অ্যাডভোকেট সায়েম খানের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একদিকে বলছেন যে, তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। অন্যদিকে আমরা দেখতে পাচ্ছি, বিএনপি নেতাকর্মীরা আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন।

PSG reach first Time Champions League final

Paris St Germain’s Angel Di Maria celebrates scoring their second goal with Neymar in their Champions League semifinal against RB Leipzig at Estadio da Luz in Lisbon on August 18. Photo: Reuters.

One of Europe’s biggest spenders, but also one of the continent’s most high-profile underachievers on the grandest stage, PSG finally seized their opportunity courtesy of goals from Marquinhos, Angel di Maria and Juan Bernat.

The former, who scored the first of two late goals in a comeback win over Atalanta in the last eight, rose to head home a superbly delivered free-kick from Di Maria.

ফুটবলার হিসেবে প্রথম বিলিয়নার রোনালদো।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ফুটবল মাঠে একের পর এক গড়ে চলেছেন অনেক রেকর্ড। এবার মাঠের বাইরে দারুণ এক কীর্তি গড়লেন পর্তুগিজ এই সুপারস্টার। প্রথম ফুটবলার হিসেবে শত কোটি ডলারের মালিক হয়েছেন তিনি।

আজ শুক্রবার (৫ জুন) ২০২০ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী ১০০ জন তারকার তালিকা প্রকাশ করেছে ফোর্বস সাময়িকী। করসহ মোট সাড়ে ১০ কোটি ডলার আয় করে চতুর্থ স্থানে আছেন রোনালদো।

এর মধ্য দিয়ে ইউভেন্তুসের এই তারকা ফরোয়ার্ডের খেলোয়াড়ি জীবনের আয় ছুঁয়েছে একশ কোটি ডলার। বর্তমানে খেলা মাত্র তৃতীয় অ্যাথলেট হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন তিনি। এর আগে ২০০৯ সালে গলফ কিংবদন্তি টাইগার উডস ও ২০১৭ সালে বক্সার ফ্লয়েড মেওয়েদার এই অর্জনে নাম লেখান।

গত বছর ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার আয় করে তালিকার পঞ্চম স্থানে আছেন সময়ের আরেক সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি।

যে ভুলে করোনা মহামা’রীর শ’ঙ্কায় বাংলাদেশ

অনেকেই আশা করেছিলেন যে, বাংলাদেশ হয়তো করোনা মোকাবেলা করতে পারবে। করোনা প্রতিরোধে বাংলাদেশ শুরু থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল।

কিন্তু সমন্বয়হীনতা এবং কিছু মা’রাত্মক ভুলের কারণে বাংলাদেশ এখন করোনা ঝুঁ’কিতে পড়েছে। করোনা মহামা’রী রূপে বাংলাদেশের দিকে চোখ রাঙাচ্ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যদিও আগেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় করোনা মহামা’রীর আশ’ঙ্কার কথা বলেছিল। কিন্তু তারপরও আম’রা আশা করেছিলাম নানা কারণে বাংলাদেশে হয়তো করোনার ব্যাপক বিস্তৃতি হবে না। কিন্তু আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে তথ্য দিয়েছে সেই তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে যে, খুব বড় কোনো ব্যতিক্রম না ঘটলে আম’রা করোনা মহামা’রীর ঝুঁ’কির মধ্যে প্রবেশ করতে যাচ্ছি। এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র। এক্ষেত্রে আমাদের ভুলগুলো কী’’ ছিল, সেটা আম’রা একটু দেখে নেই।

প্রথমত; জনগণের সচেতনতার অভাব

আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে অনেক ধরনের সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হলেও করোনার ভ’য়বহতা স’ম্পর্কে সাধারণ মানূষ সচেতন হয়নি। এর একটা বড় কারণ ছিল যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের করোনা নিয়ে যে প্রচার প্রচারণা তা ছিল সংবাদপত্র কেন্দ্রীক। সংবাদপত্রই এখন এক সংকটের মধ্যে পড়েছে, পাঠকশূন্যতার কারণে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং টেলিভিশনে প্রচার প্রচারণা ছিল একেবারেই সীমিত। যার কারণে করোনা মোকাবেলার ক্ষেত্রে আমাদের সাধারণ মানুষকে সরকার সচেতন করতে পারেনি। সাধারণ মানুষ মনে এই রোগের ভ’য়াবহতা এবং এই রোগের সংক্রমণের বিষয়ে যথেষ্ঠ সচেতন হয়নি। যে কারণে তারা ছুটির সময় ঘরে থাকার বদলে চায়ের আড্ডায় এবং নানা জায়গায় ঘুরে বেরাচ্ছে। বাজারে যাচ্ছে। সামাজিক মেলামেশাও তারা বন্ধ করেনি।

দ্বিতীয়ত; বিদেশফেরতদেরকে যথাযথভাবে বিচ্ছিন্ন করতে না পারা

বিদেশফেরতদেরকে যথাযথভাবে বিচ্ছিন্ন করতে আম’রা ব্যর্থ হয়েছি। বাংলাদেশে করোনা এসেছে বাইরের দেশগুলো থেকে। বিশেষ করে ইতালি, ইউরোপ থেকে যখন মানুষ বাংলাদেশে ফেরা শুরু করে তখনই করোনার বিস্তৃতি ঘটে। এ সনয় বিদেশফেরতদের বিচ্ছিন্ন করা এবং ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন কঠোরভাবে সরকার নিশ্চিত করতে পারেনি। এই ব্যর্থতার কারণেই করোনার সংক্রমণ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে, যেটা এখন মহামা’রী হিসেবে আবির্ভুত হওয়ার অ’পেক্ষায়।

তৃতীয়ত; ম’সজিদে নামাজসহ সামাজিক সম্মিলনের জায়গাগুলো বন্ধ করতে না পারা

ধ’র্মীয় স্প’র্শকাতর এই বিবেচনা থেকে আম’রা বাংলাদেশের ম’সজিদে জামাতে নামাজ বন্ধ করতে পারিনি। অনেক সামাজিক সম্মিলনের জায়গা যেমন- বাজার হাট ইত্যাদিও বন্ধ করা যায়নি। এমনকি অ’তি উৎসাহী কেউ কেউ ত্রাণ বিতরণের নামে সম্মিলন ঘটিয়েছে, যা ছিল আরেকটি বীভৎসতা। এসব কারণেই আম’রা সামাজিক বিচ্ছিন্নতা প্রতিপালন করতে পারিনি। এটি আরেকটি বড় ব্যর্থতা।

চতুর্থত; শহরতলীতে নজরদারির অভাব

ঢাকা শহর এবং শহরগু অঞ্চললোতেই করোনা মোকাবেলার ক্ষেত্রে যে একটু নজরদারি ছিল। প্রধান শহরকেন্দ্রিক এই নজরদারি ছিল। অলিতে গলিতে চায়ের দোকানে মানুষের যে মেলামেশা, এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়িতে যাওয়া, সেগুলো বন্ধ হয়নি। যার ফলে যে সামাজিক বিচ্ছিন্নতার প্রয়োজন ছিল সেটা আম’রা করতে পারিনি।

পঞ্চ’মত; কিছু ভুল সিদ্ধান্ত

সর্বশেষ কারণটা হলো কিছু ভুল সিদ্ধান্ত। বাণিজ্যমন্ত্রীর গার্মেন্টস খোলার সিদ্ধান্তটা ছিল একটা আত্মঘাতী এবং চরম ভুল সিদ্ধান্ত। এছাড়াও ২৪ তারিখে যখন ছুটি ঘোষণা করা হলো, তার সঙ্গে সঙ্গেই পরিবহন বন্ধ করার দরকার ছিল। কিন্তু তার পরের দিন যখন গণ পরিবহন বন্ধ করা হলো, তখন মানুষ ঢাকা ছাড়া শুরু করেছে। এই যে, ঢাকা থেকে ব্যাপক হারে মানুষের অন্য জায়গায় চলে যাওয়া সেটা করোনা সংক্রমণের ঝুঁ’কি বাড়িয়েছে। আবার বাণিজ্যমন্ত্রীর অ’তি উৎসাহে যখন গার্মেন্টস খোলার সিদ্ধান্ত হলো, তখন লোকজন গণপরিবহন উপেক্ষা করে যেভাবে পেরেছে চাকরি বাঁ’চাতে ঢাকা ফিরে এসে করোনা সংক্রমণের ঝুঁ’কি আরও বাড়িয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এখনও আমাদের সময় আছে। যারা সংক্রমিত হয়েছে তাদের যদি আম’রা দ্রুত পরীক্ষা করতে পারি, সামাজিক সংক্রমণের ক্লাস্টারগুলোকে যদি আম’রা আলাদাকরতে পারি এবং যদি আম’রা এই ছুটিটির মেয়াদ আরও বাড়িয়ে মানূষকে বিচ্ছিন্ন করেরো,গীদের সঙ্গে যারা মিশেছেন তাদেরকে চিহ্নিত করতে পারি, তাহলে হয়তো আম’রা শেষ সযোগটি কাজে লাগাতে পারবো। তবে এটার জন্য শুধু সরকারকে কঠোর হলে হবে না। আমাদের প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে। এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিতে হবে। তাহলেই আম’রা হয়তো মহামা’রী মোকাবেলার সর্বশেষ সুযোগটি কাজে লাগাতে পারবো।

বগুড়া অনলাইন প্রফেশনাল কমিউনিটি (বিওপিসি) এর উদ্দ্যেগে ত্রান বিতারন

বগুড়া অনলাইন প্রফেশনাল কমিউনিটি (বিওপিসি) ফ্রীলান্সারদের জন্য প্রশ্নত্তর, একে অন্যর মাঝে দক্ষতা শেয়ার করার একটি ফেসবুক গ্রুপ। নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর কারনে পুরো দেশ এখন ঘরে বন্দি আর এই ঘরে বন্দি দুস্থ পরিবারের পাশে দারাতে বগুড়া অনলাইন প্রফেশনাল কমিউনিটি (বিওপিসি) গ্রুপের এডমিন ও গ্রুপের সদস্যদের উদ্দ্যেগে ১৮০ টি পরিবারে ত্রান বিতারন করা হয়েছে।

আলহামদুলিল্লাহ আমাদের 180 পাকেট প্যাকেজিং সম্পন্ন হয়েছে, যার মধ্যে 145 টি বগুড়া শহরের বিভিন্ন জায়গায় ( যা আমরা আগেই লিস্ট করেছি) বিতরণ হবে এবং 35 প্যাকেট গোবিন্দগঞ্জে বিতরণ করা হবে।

আমাদের কাছে মোট অনুদান এসেছে 92900 টাকা। যা থেকে আমরা এই 180 টি প্যাকেট কর‌তে পেরেছি। প্রতিটি প্যাকেটে থাকছে 500 টাকা সমমূল্যের পন্যদি ( চাল 7 কেজি, আলু 2 কেজি, তেল 500 গ্রাম, মশূর ডাল 500 গ্রাম, পিয়াজ 500 গ্রাম এবং 2টি করে সাবান সাথে আরো ৪ টি করে ডিম।

বৈশ্বিক মহামারির আজকের এই দিনে আপনারা দু্ঃস্থদের পাশে যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন, এই রকম ভালোবাসা অব্যহত থাকলে আমরা বিওপিসি থেকে ভবিষ্যতে আরো বড় বড় উদ্যেগ গ্রহনের সাহস পাবো ইনশাআল্লাহ।

Stay home alone to save your life

The Sunday Times says the “blunt” language in Prime Minister Boris Johnson’s latest warning about coronavirus is evidence the government doesn’t think the public is taking the threat the epidemic poses seriously enough.

An unnamed cabinet member spells out the gravity of the situation, telling the paper: “We can see the clouds… a storm is coming… the next five days will be the real test of whether we can cope.”

The language used by doctors who’ve spoken to the Mail on Sunday is equally ominous.

They are warning, the paper says, of a “tsunami” of severely ill patients that is set to “engulf” them.

The paper highlights “chronic shortages” of basic equipment and describes how vets have been “begged” to hand over ventilators normally used for animals.

The Observer reports that “key military officials” are to help ensure food and medicines reach vulnerable people isolated at home.

The aim, the paper says, is to protect more than a million individuals most at risk of being hospitalised. It marks the “latest extraordinary action to tackle the crisis”, the paper adds.

Beneath a picture of a line of shoppers queuing to get into a supermarket, the headline for the Independent online newspaper is “Food banks in crisis amid panic buying spree”.

It reports that providers are being hit by the dual impact of “soaring demand” and “dwindling supplies”.

The website says people have been fishing donations out of food bank deposit points in supermarkets. The consequence, it warns, is “real hunger” on a scale that hasn’t been seen for decades.

It is the absence of people that makes the image on the front page of the Sunday Telegraph striking. It shows a view of Westminster Bridge, looking towards the Houses of Parliament, without a single person in sight. “Life in lockdown begins”, is the caption.

The Sunday Express is one of several papers to suggest the Queen is to follow up the statement she issued several days ago with what it calls a “historic address to lift morale during the crisis”.

It says Downing Street has revealed talks have taken place with the palace about what it describes as a “royal intervention”. It would be only the fourth special address of the Queen’s 68-year reign, the Sunday Times notes , and the first since the eve of her mother’s funeral, in 2002.

করোনা শনাক্তকরণ চীনা কিট ঠিকমতো কাজ করেনি স্পেনে, ফেরত যাচ্ছে ৯ হাজার পিস

চীনে তৈরি করোনাভাইরাস শনাক্তকরণ কিট যন্ত্র ঠিকমতো কাজ করেনি বলে অভিযোগ করেছে স্পেনের স্বাস্থ্য বিভাগ। চীনের একটি কোম্পানি থেকে স্পেন করোনাভাইরাস বা ‘কোভিড ১৯’ শনাক্তকরণের জন্য কিট কিনেছিল। পরীক্ষায় মাত্র ৩০ ভাগ কিট যথার্থ ফল দিয়েছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব কিট যথার্থ ফল না দেওয়ার কারণে ৯ হাজার কিট ফেরত দিচ্ছে স্পেন।

Design a site like this with WordPress.com
Get started